টাঙ্গাইলের গোপালপুরে একই পরিবারের সাত সদস্যকে নেশাজাতীয় কিছু খাইয়ে অচেতন করার অভিযোগ উঠেছে।
গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এর পরের রাতেই ওই বাড়িতে ঘটেছে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা।
উপজেলার নগদাশিমলা ইউনিয়নের বাইশকাইল তালুকদারপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে।
পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, আগের রাতে খাবারের সঙ্গে নেশাজাতীয় বা বিষাক্ত কোনো পদার্থ মিশিয়ে দেওয়া হয়।
খাবার খাওয়ার পর পরিবারের সদস্যদের পাতলা পায়খানা শুরু হয়। একপর্যায়ে তারা সবাই অচেতন হয়ে পড়েন। পরে প্রতিবেশীরা তাদের উদ্ধার করে গোপালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
আহতদের কয়েকজনের অবস্থার অবনতি হলে তাদের টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পরিবারের সদস্য আরিফা বেগমের দাবি, রান্নাঘরে রাখা লবণের পাত্রে শত্রুতাবশত কেউ বিষাক্ত বা নেশাজাতীয় কিছু মিশিয়ে দিতে পারে।
সেই লবণ দিয়ে রান্না করা খাবার এবং খাবারের সঙ্গে বাড়তি লবণ খাওয়ার পরই পরিবারের সদস্যরা অসুস্থ হয়ে অচেতন হয়ে পড়েন।
সবচেয়ে রহস্যজনক বিষয় হলো, পরিবারের সদস্যরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার সুযোগে আজ রাতে ওই বাড়িতে ঢুকে সংঘবদ্ধ চোরচক্র স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা-পয়সাসহ মূল্যবান জিনিসপত্র চুরি করে নিয়ে গেছে।
একদিকে পরিবারের সাত সদস্যকে নেশাজাতীয় কিছু খাইয়ে অচেতন করার অভিযোগ, অন্যদিকে পরদিন রাতে একই বাড়িতে দুর্ধর্ষ চুরি—পরপর ঘটে যাওয়া এ দুই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
Leave a Reply